মঙ্গলবার, ৩০ Jun ২০২৬, ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন
গো-খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি, বাজার মন্দা, স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় পশুর হাট স্থাপনে বিধিনিষেধ ও ন্যায্য মূল্য নিয়ে খামারিরা শঙ্কায় রয়েছেন। গতবারের মতো এবারও তারা ব্যবসায় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা। সিলেটের সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে চোরাই পথে গরু এলে এবার বড় ধরনের লোকসানে পড়তে হবে প্রন্তীক খামারিরা।
সূত্রে জানা যায়, প্রায় প্রতিবছরই ধারাবাহিকভাবে বিয়ানীবাজার উপজেলায় গরু খামারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। খামারের গরু গুলো প্রতি বছরই দেশের বিভিন্নস্থানে কোরবানির পশুর চাহিদার অনেকটাই পূরণ করে। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও প্রস্তুত খামারিরা।
কিছু মৌসুমী খামারি মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর অবৈধ স্টেরয়েড হরমোন ব্যাবহার করে দ্রুত মোটাতাজা করত। কিন্তু এই কাজে জনসচেতনতা ও উপজেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগের তৎপরতার কারণে চলতি বছর এই প্রবণতা কম। এ বছর প্রাকৃতিক উপায়ে খড়, সবুজ ঘাস, বিভিন্ন প্রকারের ভুষি, খৈল এবং ভিটামিন খাইয়ে গরু মোটাতাজাকরণ করা হচ্ছে।
স্থানীয় খামারিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গো-খাদ্য বস্তা প্রতি ১৫০ টাকা বেড়েছে। গমের ছালের দাম বস্তা প্রতি বেড়েছে ২০০ টাকা। অ্যাঙ্কর ডালের ভূষি ৮০০ টাকা এবং খড় কিনতে হচ্ছে ৬০০ টাকা মণ দরে। প্রতি শতাংশ জমির জাম্বু ঘাস কিনতে হয় ৩০০ টাকা, নেপিয়ার ঘাস ৪০০ টাকা দরে। এরপরও ঈদের কথা ভেবে খামারিরা বাড়তি বিনিয়োগ করছেন।